Your 900 x 225 ad here.

সম্রাটের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের মামলা

ক্যাসিনোকাণ্ডের আলোচিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ রোববার রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

আজ রাতে বিষয়টি এনটিভি অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি-মিডিয়া) জিসানুল হক।

জিসানুল হক বলেন, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট কাকরাইলের বাসায় অবস্থান করে অবৈধ কর্মকাণ্ডে অর্জিত ১৯৫ কোটি টাকা তাঁর সহযোগী এনামুল হক আরমানের (৫৬) সহায়তায় সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাচার করেছেন অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। সম্রাট রাজধানীর মতিঝিল, ফকিরাপুল, পল্টন ও কাকরাইল এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছেন। সেই টাকা সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাচারের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘২০১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় তিনবার, দুবাইতে দুবার এবং হংকংয়ে একবার যাতায়াত করেছেন। আর তাঁর অপরাধকর্মের সহযোগী আরমান ২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ১৮ মে পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের ২৫ বার যাতায়াত করেছেন।

এদিকে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্থ উপার্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। গত বছরের ১২ নভেম্বর দুদকের করা মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনা হয়।

ওই মামলায় গত ১৮ আগস্ট আদালতে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন।

গত বছরের ৫ অক্টোবর ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আত্মগোপনে থাকা সম্রাট ও তাঁর সহযোগী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহসভাপতি আরমানকে। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করে র‌্যাব।